জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে চলাচলের রাস্তা বন্ধকরে একটি অসহায় পরিবারকে মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (২ মার্চ) শনিবার বেলা ১২টায় রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন রংপুর মিডিয়া পয়েন্টে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম । তিনি বলেন, আমি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডের সম্মানিপুর এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা।
আমাদের প্রতিপক্ষ মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের পরিবারের সাথে দীর্ঘ দিন যাবত আমার ক্রয়কৃত জমির চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসিতেছে। যা গতবছরে স্থানীয় কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতিতে জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত আকারে মিমাংসা করে চলাচলের রাস্তাটি অবমুক্ত করা হয়। এর পরেও প্রতিপক্ষ ওই রাস্তা নিয়ে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) মঙ্গলবার সকাল ১১.০০ টায় আমার ছোট ভাইয়ের অন্তসত্বা স্ত্রী মোছাঃ মোসলেমা আক্তার মিশু ও আমার অপর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুন্নি বেগম সহ আমার স্ত্রী মোছাঃ চায়না বেগম পার্শ্ববর্তী বাড়ীতে ইসলামী ব্যাংক সমিতির কিস্তি দিয়ে বাড়ী ফেরার পথে আসামীদের বাড়ীর সামনে রাস্তায় পৌঁছা মাত্র উল্লেখিত আসামী ১। মোঃ বিপ্লব মিয়া (৪০), ২। মোঃ ঝন্টু মিয়া (৩৫), ৩। মোঃ ডালু মিয়া (৩২), সকলের পিতা- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, ৪। মোছাঃ রুপা বেগম (৩৬) স্বামী মোঃ বিপ্লব মিয়া, ৫। মোছাঃ সেলিনা আক্তার (২৮) স্বামী মোঃ ডালু মিয়া, ৬। মোছাঃ চায়না বেগম (৩২) স্বামী মোঃ খোরশেদ আলম, সর্ব সাং সম্মানিপুর, ১৩ নং ওয়ার্ড রংপুর, গং অতির্কিত ভাবে
লাঠিসোটা, রড, এসএস পাইপ দিয়ে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীদ্বয় ও আমার স্ত্রীকে আটক করে শ্লীলতাহানিসহ বেধড়ক মারপিট করে। এতে আমার ছোট ভাইয়ের ৩ মাসের অন্তসত্বা স্ত্রী মোসলেমা আক্তার মিশু লোহার পাইপের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে অচেতন হয়ে পড়ে। এছাড়াও তাদের লাঠি’সোটার নির্মম আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে অপর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মোছাঃ আনিছা বেগম (৩০) আমার স্ত্রীসহ গুরুতর আহত হয়। উক্ত ঘটনা দেখে আমার বৃদ্ধা মা মোছাঃ জমিলা বেগম (৬০) এগিয়ে আসলে তারা তাকেও লাঠিসোটা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারপিট করে।
এমন নিষ্ঠুর নির্মমতা দেখে এলাকাবাসী ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে অটোযোগে আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়। থানায় এজাহার দায়ের করার কথা প্রতিপক্ষ শোনার পর থেকে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন ভাবে আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করার হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। আমাদের প্রতিপক্ষ তোফাজ্জল গং ওই এলাকার নামকরা ডাঙ্গাবাজ ও মামলাবাজ পরিবার। তারা আমাদেরকে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে।
তাদের আধিপত্য বিস্তারে এলাকার লোকজন অসহায় হয়ে পরেছে। এই তোফাজ্জল গংদের আতঙ্কে আমার পরিবারের লোকজন আজ বাড়িছাড়া হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাই ন্যায় বিচারের দাবিতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় ভুক্তভোগী মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।














