জালাল উদ্দিন/দি লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ
রংপুরে দির্ঘ ১৭ বছর পর আদালতের রায়ে পৈতৃক জমি ফিরে পেলো একটি অসহায় পরিবার। মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ৬/১১/২০২২ ইং তারিখে সহকারী জজ আদালত বদরগঞ্জ রংপুরের বাদী পক্ষ ৬২ রেকডিয় মালিক মোঃ আমির উদ্দিন গং এর মোকাদ্দমা নং অন্য- ১২৬/৭, এর রায় ও ডিগ্রি প্রদান করেন সহকারী জজ মতিউর রহমান।
রায়ের লিখিত আদেশে বলা হয়, নালিশী উক্ত দাগগুলো হতে ৭৭ শতক জমি বাবদ বাদীগনের অনুকুলে সাহাম বন্টনের প্রাথমিক ডিগ্রি হলো। পক্ষ গনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আপোষে সাহাম প্রাপ্ত অংশ বন্টন নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হলো। পক্ষদের দখল ও নালিশী জমির মুল্য বিবেচনায় সীমানা নির্ধারণপুর্বক দখল বুঝিয়া নিতে পারিবেন। এরেই প্রেক্ষিতে বাদী পক্ষ আমির উদ্দিন গং গত ১১ জানুয়ারী বুধবার সাকেল নগরীর সাতগাড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় উক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে সাইবোর্ড লাগান ও টিনের ঘর তুলেন ।
এ বিষয়ে বাদী পক্ষ আমির উদ্দিন গং এর ওয়ারিশ মোঃ রাশেদ মিয়া জানান, আমাদের পৈতিৃক সম্পত্তি বেদখল হওয়ায় বিগত ২০০৫ সালে রংপুর আদালতে সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে মামলা করি। দির্ঘ ১৭ বছর পর গত ৬/১১/২০২২ ইং তারিখে সহকারী জজ আদালত বদরগঞ্জ রংপুরের রায়ে আমরা বিভিন্ন দাগে ৭৭ শতক জমি ফিরে পেয়েছি। দাগগুলো হচ্ছে, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত সাতগাড়া মৌজার জেএল নং ৯৪, সিএস খতিয়ান নং ৪২৭, দাগ নং ১৪০৮ জমির ২১ শতকের মধ্যে ১০.৫ শতক, দাগ নং ১৪২৯ জমির ১৮ শতকের মধ্যে ৯ শতক, দাগ নং ১৩৬৫ জমি ২৪ শতকের মধ্যে ১২ শতক, দাগ নং ১৩৫৮, ১৩৬০ জমি ২১ শতকের মধ্যে ১০.৫ শতক, দাগ নং ১৪০৮ জমি ২১ শতকের মধ্যে ১০.৫ শতক। এ বিষয়ে বিবাদী পক্ষের ওয়ারিশ মোঃ সাফিয়ার রহমান জানান, আদালতের উক্ত রায়ের প্রেক্ষিতে আমরা আপিল করেছি। আপিলে যদি রায় পায় তাহলে আমরা জমি ছেড়ে দিব।














