জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুর জেলা গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে পারভেজ হোসেন (২৫) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) সংবাদ কর্মীরা দুপুরে আলদাতপুর কাচারীপাড়া বড় ক্যানেল সংলগ্ন পানক্ষেতের পাশে যুবকের লাশ পাওয়া ঘটনা স্থলে গেলে স্থানীয় গ্রাম্য পুলিশ সুনিল চন্দ্র রায় জানান, আমি লাশটাকে দেখেছি। পুলিশ যখন লাশটার শরীর চেক করে তখন আমি উপস্থিত ছিলাম।
তখন আমি দেখেছি লাশের পিঠে অনেক বড় একটা জায়গা কালো ও পায়ে ক্ষত দাগ আছে। এই ঘটনার বিষয়ে গংগাচড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ১৫/৬৭ মামলা সূত্রে ও মৃত পারভেজের মা বলেন, আমার ছেলে পারভেজ হোসেন রাজ মিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাইতো। কিন্ত গত ১২/০২/২০২৫ তারিখে আনুমানিক রাত ৯টার পরে পারভেজসহ আমরা পরিবারের সকলে খাওয়া-দাওয়া করতে থাকি। এমন সময় আমার ছেলের মুঠোফোনে এই (০১৩১৪-৪৯৯২৯১) নাম্বারে অপরিচিত এক নাম্বার থেকে ৮-৯ বারের মতো কল আসে।
পারভেজ তড়িঘড়ি করে খাওয়া শেষ না করে কলটা রিসিভ করে কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে চলে যায়। সারারাত ও সকাল পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও পারভেজের কোন খোঁজখবর পাই না। পরের দিন দুপুর বেলা লোকমারফতে জানতে পারি পাশের এলাকায় আমার ছেলে লাশ পাওয়া গেছে। সেখানকার গ্রাম্য পুলিশ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে মৃত পারভেজের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজনসহ লাশটি উদ্ধার করি একই সময়য়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে লাশটি উদ্ধারপূর্বক লাশের প্যান্টের ডান পকেটে থাকা পারভেজের মোবাইল ফোনটি জব্দ করে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে গংগাচড়া মডেল থানায় লাশ নিয়ে যায় এবং পরের দিন সকালবেলা ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়ে দেয়।
পরে লাশটি ময়না তদন্ত করে আমাদেরকে দিলে আমরা দাফন কার্য শেষ করি। এই বিষয়ে সুমন ইসলাম বলেন, আমি পারভেজের লাশ দেখেছি। ওর পায়ে তিনটা রড দিয়ে বাড়ি মারা চিহ্ন আছে। আমার মনে হয় পারভেজকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে। এ বিষয়ে গংগাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল এমরানকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, পারভেজের মা বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেছে। মামলাটির তদন্ত চলমান আছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা কার্যক্রম শুরু হবে।














