সর্বশেষ
সর্বশেষ
  • ভিউ
  • ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে যেসব তথ্য সবার প্রয়োজন

ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে যেসব তথ্য সবার প্রয়োজন

দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এক দিনে দুটি ভোট হচ্ছে এবং সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, একই দিনে দুটি ভোট নেওয়ায় ফলাফলে দেরি হতে পারে আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ভোটের কয়েকদিন আগে শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় ওই আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে; যে কারণে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ২৯৯টি আসনে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৫০টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে লড়বেন ১৭৫৫জন প্রার্থী। আর এই নির্বাচনে দেশের পৌনে ১৩ কোটিরও বেশি ভোটার ভোট দেবেন।

বুধবার ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা এ পর্যন্ত যা করেছি, জাতির কাছে যে ওয়াদা দিয়েছি, সেই লক্ষ্যেই আইনকানুনের মধ্যে থেকেই কাজ করছি”।

এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি কাজ শেষ করার তথ্যও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দুইটি ভোটের ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বুধবার সকাল থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের কেন্দ্রগুলোতে পাঠিয়েছে রিটার্নিং অফিস।

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা ভোট দিয়েছেন পোস্টাল ব্যালটে। এর বাইরেও সরকারি কর্মকর্তা, ভোটের দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কারাবন্দিরাও ভোট দিয়েছেন পোস্টাল ব্যালটে।

দুইটি নির্বাচনের ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট গণনার কারণে এবারের নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণায় দেরি হবে বলে আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

যে চারটি বিষয়ের ওপর জাতীয় নির্বাচনের দিনে হবে গণভোট

ইসি জানিয়েছে, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ ৪৫টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।

এবারের ভোটের নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর নয় লাখেরও বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।

এরই মধ্যে সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। ভোটের নিরাপত্তায় কেন্দ্রে দায়িত্ব থাকা পুলিশের সাথেও রাখা হয়েছে বডিওর্ন ক্যামেরা।

ব্যালট বাক্স ও সিল, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালী, ভোটার তালিকাসহ বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে ভোট কেন্দ্রগুলোয়।

রিটার্নিং অফিস থেকে পাঠানো ব্যালটগুলো কড়া নিরাপত্তায় রাখা হবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে। এর পাহারার দায়িত্বে থাকবেন প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানোর পরই ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতের যাবতীয় কাজ শেষ করবেন প্রিসাইডিং অফিসার ও দায়িত্ব পালনকারী অন্য কর্মকর্তারা। তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দেবে পুলিশ, আনসার, ভিডিপি।।

সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে যেগুলো সাধারণ ভোটকেন্দ্র সেগুলোতে অস্ত্রসহ দুইজন পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের যেসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেব তালিকাভুক্ত করা হয়েছে সেখানে তিন থেকে চারজন অস্ত্রসহ পুলিশ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। তবে আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম পুলিশের সংখ্যা একই পরিমাণে থাকবে।

অন্যদিকে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে যে সব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে সেখানে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবে চারজন করে।

বুধবার ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের সহায়তায় ব্যাপক নিরাপত্তা ও সমন্বয় ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে”।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত একটানা ভোট শেষে পোলিং কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সামনেই গণনা করা হবে ভোটের ফলাফল।

ভোটার ভোটের তথ্য জানা যাবে যেভাবে
সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩জন। এই ভোটারের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই নারী।

এবারের নির্বাচনে ছয় কোটি ৪৮ লাখ পুরুষ ভোটারের বিপরীতে নারী ভোটার রয়েছেন ছয় কোটি ২৮ লাখ। নির্বাচনে ভোট দেবেন বারশোর বেশি হিজড়া ভোটার।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এই পৌনে ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে ৪ কোটি ৯০ লাখ ভোটারই তরুণ, যাদের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। আর ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা দুই কোটি ১২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩১ জন।

নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডির প্রয়োজন না হলেও ভোটার নম্বর জরুরি।

ভোটারদের কেন্দ্রের তথ্য জানাতে রাজনৈতিক দলগুলো ও প্রার্থীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় ভোটার স্লিপ প্রদান করতে দেখা গেছে।

তবে, ভোটারদের সুবিধার জন্য নির্বাচন কমিশন চার ধরনের পদ্ধতি চালু করেছে। যার মাধ্যমে তারা সরাসরি ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবে।

প্রথমত, ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে ইসি। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে নিজ ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের হটলাইন নম্বর ১০৫ নম্বরে কল করে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।

তৃতীয়ত, এই ১০৫ নম্বরে এসএমএস করেও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে (পিসি এনআইডি) লিখে ১০৫ নম্বরে এসএমএস করলেও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানানো যাবে।

চতুর্থত, এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইট থেকে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন ভোটাররা।

ভোটার নম্বরসহ এই তথ্যগুলো জানা থাকলে একজন ভোটার সহজেই ভোট দিতে পারবেন বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।

Facebook
Twitter
Pinterest
Reddit
Skype
Email
LinkedIn

লিগ্যাল ভয়েস 24 নিউজ আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
Dhaka, Bangladesh
Tuesday, 22nd September, 2026
11th Rabi-Al-Thani, 1448
নামাজসময়
ফজর5:32 AM
সূর্যোদয়6:47 AM
যোহর12:51 PM
আসর4:17 PM
মাগরিব6:55 PM
ইশা8:10 PM